💡 সাজেশন: ২ কেজির প্যাক অর্ডারে আপনি পাচ্ছেন সর্বোচ্চ ডিসকাউন্ট এবং একই ডেলিভারি চার্জে।
সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি সুবিধা (পণ্য হাতে পেয়ে পেমেন্ট করুন)
শীতকালে পিঠাপুলির উৎসবে আসল গুড় খুঁজে পাওয়া এখন অনেকটা সোনার হরিণ খোঁজার মতো। বাজারে চকচকে প্যাকেটের আড়ালে চিনি মেশানো গুড় খেয়ে অনেকেই সেই ছোটবেলার স্বাদ ভুলে যেতে বসেছেন।
এই সমস্যাটাই পোড়াচ্ছিল ‘ঠিকানার বাজার’-এর ফাউন্ডার কবির বিন সামাদ-কে। তিনি ঠিক করলেন, কাস্টমারকে অন্যের মুখের কথায় বিশ্বাস করে পণ্য দেবেন না। তার নিজের এলাকা গেলেন যশোরের গাছিদের পাড়ায়।
দিনের পর দিন গাছিদের পাশে দাঁড়িয়ে থেকে, ভোর রাতে কুয়াশার চাদর মোড়ানো শীতে কাঁপতে কাঁপতে রস নামানো থেকে শুরু করে, চুলায় দীর্ঘ সময় জাল দিয়ে গুড় তৈরি—সবটাই হয় কবির বিন সামাদ ভাইয়ের নিজস্ব তত্ত্বাবধানে। এখানে ভেজালের কোনো সুযোগই নেই, নেই কোনো চিনি বা কৃত্রিম রঙের ব্যবহার।
ফলাফল? বয়াম খুললেই ঘর ভরে যাওয়া সেই পরিচিত ঘ্রাণ আর জিহ্বায় জল আনা আসল যশোরের স্বাদ।
যেহেতু এত কষ্ট করে একদম সোর্স থেকে এই রত্ন সংগ্রহ করা, তাই এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে অনেকদিন।
মনে আছে ছোটবেলায় নানা-দাদুদের বাড়িতে পিঠা খাওয়ার সেই স্বাদ? সেই খেজুর গুড়ের গন্ধে মৌ মৌ করা ঘরবাড়ি? শহুরে ব্যস্ততায় আমরা সেই স্বাদ প্রায় হারিয়েই ফেলেছিলাম।
তবে ‘ঠিকানার বাজার‘-এর প্রতিষ্ঠাতা কবির বিন সামাদ পণ করেছিলেন, এই হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য তিনি ফিরিয়ে আনবেনই। তার জেদ ছিল একটাই—ব্যবসা হবে সততার সাথে, ভেজালের সাথে কোনো আপস নয়।